ٱلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ ٱللَّٰهِ وَبَرَكَاتُهُ 🌙 ভাটি সাভার দক্ষিণ পাড়া বাইতুর রহমান জামে মসজিদ, ভাটি সাভার, নান্দাইল, ময়মনসিংহ। জান্নাতের পথের সন্ধান পেতে আমাদের সাথে থাকুন 🕌 মসজিদ ও মাদরাসাতে দান করুন 🕌 রাসুলুল্লাহ (সাঃ)বলেছেন, তোমরা অতিসত্বর দানের দিকে ধাবিত হও, কেননা বিপদাপদ দানকে অতিক্রম করতে পারে না।’ (শুয়াবুল ঈমান : ৩০৮২; আত তারগিব : ১২৯৯) 🕌 নবী (সা.) বলেন, ‘হে কাব বিন উজরা! নামাজ (আল্লাহর) নৈকট্য দানকারী, রোজা ঢাল স্বরূপ এবং দান-ছাদকা গুনাহ মিটিয়ে ফেলে যেমন পানি আগুনকে নিভিয়ে ফেলে।’ (আবু ইয়ালা, সনদ সহীহ) 🕌 রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘খেজুরের একটি অংশ দান করে হলেও তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা কর।’ (বুখারি ও মুসলিম) 🕌 ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার জন্য ধন্যবাদ! 🤲 ٱلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ ٱللَّٰهِ وَبَرَكَاتُهُ 🌙 ভাটি সাভার দক্ষিণ পাড়া বাইতুর রহমান জামে মসজিদ, ভাটি সাভার, নান্দাইল, ময়মনসিংহ। জান্নাতের পথের সন্ধান পেতে আমাদের সাথে থাকুন 🕌 "আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু "।ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার জন্য ধন্যবাদ! 🤲
🕰 ০০:০০:০০
🕌 নামাজের সময় লোড হচ্ছে...

মসজিদ পরিচিতি

মসজিদ পরিচিতি

ভাটি সাভার দক্ষিণ পাড়া বাইতুর রহমান জামমসজিদ: ইতিহাস ঐতিহ্য

 একটি আধ্যাত্মিক প্রতিষ্ঠানের গৌরবগাথা

আলহামদুলিল্লাহ,

আমরা এলাকাবাসী মিলে একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় ও দলবদ্ধভাবে নামাজ পড়ার জন্য এবং ইসলামী মূল্যবোধ ও ইবাদতের চর্চা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত। মসজিদের নাম: ভাটি সাভার দক্ষিণ পাড়া বাইতুর রহমান জামে মসজিদ, ঠিকানা: গ্রামঃ ভাটি সাভার ডাকঘর-গহমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, ৩নং নান্দাইল ইউনিয়ন, জেলা-ময়মনসিংহ।, প্রতিষ্ঠার সাল: ১৯৯৫ ইংরেজি (১৩৯৮ হিজরি),

প্রথম ইমাম: হাফেজ ক্বারী মোঃ মারজান আলী নুরী

বর্তমান ইমাম: হাফেজ ক্বারী মোঃ আবু রায়হান

বর্তমান খতিব: হাফেজ মাওলানা মোঃ তাজুল ইসলাম

বর্তমান মোয়াজ্জিন: হাফেজ  মোঃ আবু রায়হান

বর্তমান খাদেম: মোঃ ওমর ফারুক বাচ্চু

পরিচিতিঃ ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানার অন্তর্গত ৩নং নান্দাইল ইউনিয়ন, নান্দাইল উপজেলার একটি অন্যতম সেরা ইউনিয়ন ও মডেল ইউনিয়ন। এই ইউনিয়নের গ্রাম গুলো অনেক সুন্দর । এই গ্রামগুলোর মধ্যে ভাটি সাভার অনেক প্রসিদ্ধ একটি গ্রাম। এই গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশেই মনোরম পরিবেশে আমরা এলাকাবাসী মিলে একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় ও দলবদ্ধভাবে নামাজ পড়ার জন্য একটি মজিদ নির্মাণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করি।

  • জমি দাতা গনের নামঃ
  • মৌঃ মোঃ জুবেদ আলী
  • মোঃ লুৎফুর রহমান

যাহারা এই মসজিদ ও মাদরাসার উন্নয়নের জন্য দান করিয়াছেন, করিতেছেন বা ভবিষ্যতে করিবেন তাহাদের উপর কিয়ামত পর্যন্ত আল্লাহুর শান্তি বর্ষিত হউক। যেহেতু মসজিদ আল্লাহর ঘর ও মুসলমানের অতি পবিত্রস্থান এবং মাদরাসা দ্বীন ইসলাম প্রচারের একটি পবিত্র আমানত, কাজেই উহার পবিত্রতা রক্ষার জন্য সকলকে সর্বদা নিরপেক্ষ এবং দল ও মতের উর্ধ্বে থাকিয়া ইহার খেদমত একমাত্র আল্লাহর রেজামন্দি হাসিল করিবার উদ্দেশ্যেই করা উচিৎ।

প্রতিষ্ঠার  সূচনালগ্ন:
ভাটি সাভার দক্ষিণ পাড়া বাইতুর রহমান জাম-ই-মজিদের ইতিহাস এই অঞ্চলের মুসলিম সমাজের দীর্ঘদিনের লালিত আশা-আকাঙ্ক্ষা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল। আজ থেকে ১৯৯০ সাল/ ৩০ বছর আগে, এই গ্রামের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য একটি কেন্দ্রীয় ও স্থায়ী জামাত মসজিদের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন এলাকার কিছু নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তি।

 স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি, মুরব্বী, আলেমে দীন সকলে মিলে জনাব মৌলভী মোঃ জুবেদ আলী, মোঃ লুৎফুর রহমান, মোঃ আবদুর রাশিদ, মোঃ ওমর ফারুক বাচ্চু, হাফেজ ক্কারী মোঃ মারজান আলী নূরী, মোঃ আরজ আলী মাস্টার, মোঃ রুফকুল ইসলাম (রুস্তম), মোঃ আবদুল মান্নান, মোঃ আহম্মদ আলী, মোঃ গোলাম মোস্তুফা, হাফেজ মোঃ রাসেল মিয়া বহু সম্মানিত এলাকাবসী  প্রমুখের -এর নেতৃত্বে এবং সর্বস্তরের মানুষের আর্থিক সহায়তা ও শ্রমদানে এই পবিত্র স্থানে একটি ছোট্ট টিনের ঘর হিসেবে এই মসজিদের যাত্রা শুরু হয়। এলাকার নাম- ভাটি সাভার, মসজিদের নামকরণ করা হয় “বাইতুর রহমান” যার অর্থ “দয়াময়ের ঘর” – যা এই উপাসনালয়কে আল্লাহ তায়ালার অসীম রহমতের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার প্রত্যাশাকে নির্দেশ করে।, এর প্রেক্ষিতে আমরা এলাকাবাসী মিলে একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় ও দলবদ্ধভাবে নামাজ পড়ার জন্য একটি মসজিদ নির্মান করার উদ্যোগ গ্রহণ করি, যথারীতি সম্পত্তি দলিলাদির মধ্যমে ওয়াক্ফ করি এবং এর নামকরন করা হয় – “ভাটি সাভার দক্ষিণ পাড়া বায়তুর রহমান জামে মসজিদ”।

বিকাশ ও উন্নয়নের ধারা:
সময়ক্রমে গ্রামের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং মুসল্লিদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। পুরনো ছোট্ট স্থানটি আর সকলের চাহিদা পূরণে সক্ষম ছিল না। এলাকাবাসীর অকুণ্ঠ সমর্থন এবং দূরদর্শী কমিটির পরিচালনায় মসজিদটিকে একটি দৃষ্টিনন্দন ও স্থায়ী পাকা  স্থায়ী ইমারতে রূপান্তরিত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ২০০১ সালে তৎকালীন পরিচালনা কমিটির সভাপতি মৌঃ মোঃ জুবেদ আলী এবং সেক্রেটারি জনাব মোঃ আবদুর রাশিদ -এর অক্লান্ত পরিশ্রমে এবং এলাকার সকলের আর্থিক সহযোগিতায় মসজিদটি তার বর্তমান রূপ লাভ করে।

 স্থাপত্য ও অবস্থান:
ভাটি সাভার দক্ষিণ পাড়া বাইতুর রহমান জাম-ই-মসজিদ টি নান্দাইল উপজেলার, ময়মনসিংহ জেলার ভাটি সাভার গ্রামের দক্ষিণ পাড়ায় হৃদয়ে অবস্থিত। এটি শুধু একটি ইসলাম ধর্মীয় উপাসনালয়ই নয়, গ্রামের নৈসর্গিক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাথে মিশে থাকা একটি মসজিদ স্থানীয় ইসলামী স্থাপত্যরীতির অনন্য নিদর্শন বহন করে। ভোরের আজানের সুরেলা ধ্বনি এবং সন্ধ্যার পর এর আলোকিত রূপ গ্রামের পরিবেশে এক স্বর্গীয় অনুভূতি ছড়িয়ে দেয়।

 সমাজ গঠনে ভূমিকা:
ভাটি সাভার দক্ষিণ পাড়া বাইতুর রহমান জাম-ই-মসজিদ কেবলমাত্র নামাজের স্থানই নয়, এটি এই সম্প্রদায়ের শিক্ষা-সংস্কৃতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের প্রাণকেন্দ্র। এই মসজিদকে ঘিরে গড়ে উঠেছে নানা সামাজিক ও ধর্মীয় কার্যক্রম:

  • মক্তবঃ তালিমুল কুরআনছোট্ট শিশু ও বয়স্কদের জন্য নিয়মিত কুরআন শিক্ষার ব্যবস্থা।
  • ধর্মীয় মাহফিল: বিভিন্ন ইসলামিক বিষয়ে ওয়াজ মাহফিল ও সেমিনারের আয়োজন।
  • ঈদগাহ: ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার নামাজ।
  • সমাজসেবা:দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের সহায়তা এবং সম্প্রদায়ের উন্নয়নমূলক কাজে মসজিদ কমিটি সক্রিয় ভূমিকা পালন করে থাকে。

 বর্তমান ও ভবিষ্যৎ:
বর্তমানে, ভাটি সাভার দক্ষিণ পাড়া বাইতুর রহমান জাম-ই-মসজিদ একটি উন্নত ও প্রগতিশীল Islamic Complex হিসেবে গড়ে উঠছে। এখানে প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, জুমা ও ঈদের জামাত নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হয়। আমাদের লক্ষ্য হল এই মসজিদকে একটি পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা ও সামাজিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা, যেখানে আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা হবে।

আমরা আমাদের পূর্বসূরীগণ এবং সকল দানশীল ব্যক্তির কাছে চিরকৃতজ্ঞ, যাদের স্বপ্ন ও শ্রমে আজ আমরা এই পবিত্র স্থানে ইবাদত-বন্দেগীর সুযোগ পাচ্ছি।

মসজিদটি প্রথমে ছিল কাঁচা ঘরের ছোট একটি নামাযের জায়গা। সময়ের পরিক্রমায়, আল্লাহর অশেষ মেহেরবানিতে ও এলাকাবাসীর আন্তরিক প্রচেষ্টায় এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জামে মসজিদে রূপ নেয়। মসজিদের নাম “বাইতুর রহমান” রাখা হয়েছে কুরআনের পবিত্র নাম “আর-রহমান” এর অনুসরণে, যার অর্থ “পরম দয়ালু আল্লাহর ঘর” এবং এর সংগে স্থানীয় নামটি সংযুক্ত করা হয়েছে।

এই মসজিদে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামায, জুমু’আর খুতবা, কুরআন শিক্ষা, শিশুদের মক্তব, মাহফিল এবং বিশেষ ইসলামী অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়ে থাকে। এখানকার ইমাম, মোয়াজ্জিন ও পরিচালনা কমিটি অত্যন্ত নিষ্ঠা ও ইখলাসের সঙ্গে দ্বীনি খেদমতে নিয়োজিত।

মসজিদটি আজও গ্রামীণ সমাজে ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব ও ইসলামি চেতনা জাগ্রত করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।

বর্তমান অবস্থা ও খেদমত:

বর্তমানে মসজিদটিতে রয়েছে—

  • তাবলীগ কর্যক্রম
  • সুপরিকল্পিত ওয়াজ-মাহফিলের আয়োজন
  • নিয়মিত তাফসীরুল কুরআন ও হাদীসের পাঠ
  • শিশুদের নূরানী মক্তব
  • মহিলাদের জন্য মাসিক তালীম
  • রমযানে ইফতার ও সেহরি ব্যবস্থাপনা
  • ঈদ ও কুরবানীর নামাযের সুবিন্যস্ত আয়োজন- গরীব-দুস্থদের জন্য সহায়তা কার্যক্রম

*দোয়া কামনা:*

পরিশেষে, আমরা মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে দোয়া করি, তিনি যেন এই পবিত্র মসজিদকে কিয়ামত পর্যন্ত হেদায়াতের কেন্দ্র হিসেবে কবুল করেন এবং সকল মুসল্লিগণের ও দানশীল ব্যক্তিকে উত্তম প্রতিদান দান করেন।   *وَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَهُ*

– “যে কেউ অণু পরিমাণ ভালো কাজ করবে, সে তা দেখতে পাবে।” (সূরা: যিলযাল, আয়াত: ৭)

হোয়াটসাঅ্যাপ চ্যাট
মেসেঞ্জার চ্যাট
লোডিং হচ্ছে...